ঢাকা | বঙ্গাব্দ

জনগণের পাশে দাঁড়াতে চান কাজী রেহা কবির সিগমা: কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র নারী প্রার্থী

  • প্রতিনিধির নাম :নিজাম উদ্দীন, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: | নিউজটি দেখেছেনঃ 66440 জন
জনগণের পাশে দাঁড়াতে চান কাজী রেহা কবির সিগমা: কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র নারী প্রার্থী ছবির ক্যাপশন: স্বাধীন ৭১
ad728
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম) সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এবার হাওরে প্রথম একজন নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি হলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, গবেষক ও উদ্যোক্তা কাজী রেহা কবির সিগমা। "মার্কা কিংবা দল নয়, যোগ্যতাই পরিচয়" এই স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

​কিশোরগঞ্জের হাওরে ঢোকার প্রতিটি প্রবেশদ্বারে তার 'সিগমার হাতছানি' নিয়ে ব্যানার ও পোস্টার দেখা যাচ্ছে।

​নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগকালে কাজী রেহা কবির সিগমা বলেন, "জনগণ আমার প্রেরণা, জনগণই আমার শক্তি। আমি নেত্রী হতে আসিনি, শুধু কথার ফুলঝুরি নয়, কাজে আমার পরিচয়।"
​তিনি আরো বলেন, "আমি কাজে বিশ্বাসী। আমি জনপ্রতিনিধিত্ব চাই না - আমি জনগণকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চাই। আমার স্বপ্ন জনগণকে পাশে নিয়ে কাজ করা।" হাওর অঞ্চলের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখিয়ে তিনি বলেন, "ইটনা, মিঠামইন আর অষ্টগ্রাম এই দ্বিতীয় বৃহত্তম হাওরের মানুষ থাকবে উন্নত, শিক্ষিত এবং নিরাপদ। তাই আমি একটি নিরাপদ হাওর অঞ্চল বিনির্মাণে কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।"

​গত ৫ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকেলে অষ্টগ্রাম উপজেলার নিজ গ্রামের বাড়ি কাজীবাড়ি থেকে বের হয়ে তিনি উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামের পাড়ায় পাড়ায় গণসংযোগ করেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় সাধারণ মানুষ তাদের 'প্রাণের প্রার্থীকে' কাছে পেয়ে উল্লাসে ফেটে পড়ে। তিনি ভাতশালা ও জিরো পয়েন্টের নানা স্থানে পথসভা ও গণসংযোগ করেন এবং সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করেন।
​হাওর অঞ্চলের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বিগত নির্বাচনে সংসদ প্রার্থী হিসেবে যারা এসেছেন, তারা ভোট নেওয়ার পর চাঁদের দেখা মেলার মতো উধাও হয়ে যান, তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না। এ নিয়ে তাদের মাঝে গভীর ভারাক্রান্ততা বিরাজ করে। তাদের একটাই প্রত্যাশা—সাধারণ মানুষ যেনো তাদের সংসদ সদস্যকে বিপদে-আপদে পাশে পায়।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : মোঃ ফয়েজ উদ্দিন

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
১৫ লাখের বেশি পরিবার বিএমডিএ'র উপকার ভোগী

১৫ লাখের বেশি পরিবার বিএমডিএ'র উপকার ভোগী