প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়; এটি রাষ্ট্রের একটি পেশাদার ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, যার ওপর দেশের জনগণের আস্থা থাকা জরুরি।
তিনি বলেন, পিলখানা-এর পরবর্তী সময়ে নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে সেই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা এমন একটি সশস্ত্র বাহিনী চাই, যাদেরকে বহিঃশক্তি সমীহ করবে এবং দেশের জনগণ রাখবে আস্থায়। পেশাদারিত্বের প্রশ্নে কোনো আপস না করে সশস্ত্র বাহিনীকে সব সময় একটি সুউচ্চ আদর্শিক অবস্থানে থাকতে হবে।”
তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রীয় মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি স্তরে দেশপ্রেমের যে অগ্নিশিখা জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন, তা যেন কখনো নিভে না যায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং জনগণের আস্থা অর্জনই হতে হবে তাদের প্রধান শক্তি।
স্বদেশ সময়